মনিরামপুরে জোরপূর্বক গৃহবধুর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ।
যশোর জেলার মনিরামপুর উপজেলাধীন নেহালপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত লখাইডাঙ্গা মাধ্যমিব বিদ্যালয়ের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদের বিরুদ্ধে গৃহবধুর সাথে জোরপূর্বক অনৈতক কাজের চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসাদুজ্জামান আসাদ নেহালপুর গ্রামের সাহাবুল গাজী ছেলে।
এ দিকে অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে লখাইডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ ধরা খেয়েছেন এমন সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগকারী গৃহবধুর দাবি, তার মেয়ে পূর্বে যশোর একটি এনজিওতে কাজ করতেন। আসাদুজ্জামান আসাদ তখন ওই সংস্থার অডিট অফিসার হিসাবে ছিলেন। আর সেই থেকে আসাদুজ্জামান আসাদের সাথে তাদের পরিচয়।
সম্প্রতিক তাদের মেয়ে ভারতে নিয়ে গিয়ে বিয়ে দিয়েছেন। আর আসাদুজ্জামা আসাদ চাকরি ছেড়ে গ্রাসে আসেন। থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান আসাদ এর সাথে পরিচয়ের প্রথম থেকে সে বিভিন্ন সময়ে তাকে মোবাইলে অনৈতিক কথাবার্তার প্রস্তাব দিতেন। এমন কি তার স্বামীর অনুপস্থিতিতে বাড়ীতে আসার চেষ্টা করতেন।
গত শুক্রবার সকাল ১০ টায় একইভাবে ওই গৃহবধুর স্বামীর বাড়ীতে নাই জানতে পেরে আসাদুজ্জামান আসাদ ওই বাড়ীতে আসেন। তখন ওই মহিলা ঘরের মধ্যে একা পেয়ে আসাদুজ্জামান আসাদ তার উপর ঝাপিয়ে পড়েন।
এ সময় ওই গৃহবধু কৌশলে আসাদের হাত থেকে বের হয়ে বাইরে দিয়ে দরজা লাগিয়ে বাড়ীর আশপাশের লোক জন ডাকেন। তারা এ সময় ঘরের দরজা আটকে দেয়। আসাদুজ্জামান আসাদের আটকের খবর মুহুর্ত্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং তার গ্রামের লোকজন এসে ওই গৃহবধুকে বিভিন্ন ভয়ভিতি দেখিয়ে বেলা তিনটার দিকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।
এ সময় আসাদ তার মোবাইল ফোনটা ফেলে যান। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় এক গণমাধ্যম কর্মী ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই গৃহবধূর ভিডিও বক্তব্য ধারণ করেন। যা এই প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে।
এলাকার নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক লখাইডাঙ্গার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ঘটনাটি শুনেছেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান আসাদ মুঠোফোনে বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ন বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং সাজানো।
মনিরামপুর থানার ডিউটি অফিসার এ এ্স আই আব্দুর রহমান বলেন, লখাইডাঙ্গা গ্রামে এক মহিলার ্ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি।




No comments