সংবাদ শিরোনাম

বেগম জিয়ার ৫ বছর জেল, কারাগারে পাঠানোর নিদের্শ।

Ad Code
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে বিজ্ঞ আদালত। এছাড়া মামলার বেগম জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ অন্যান্যে ৫ জন্য আসামীর ১০ বছর করে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। দুপুরে ঢাকার বিশেষ আদালতে বিশেষ জজ ৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন। রায়ের পরেই বেগম খালেদা জিয়ারে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। 

বেলা পৌনে ২টার দিকে আদালতে হাজির হন বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। কড়া নিরাপত্তায় গুলশানের বাসা থেকে বের হয়ে প্রায় ২ ঘন্টার পর আদালতে পৌঁছেন তিনি। পথে বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ী বহরে যোগ দেন বিএনপি'র নেতা কর্মীরা। 

এদিকে রায় ঘোলণাকে কেন্দ্র করে বকশিবাজারের বিশেষ জজ আদালত এলাকায় ও কড়া নিরাপত্তা ্নেওয়া হয়েছিল। রায় ঘোষণার পর যাতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর প্ররিস্থিতি তৈরি না হতে পারে সেজন্য নয়া পল্টনে বিএনপি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে রয়েছে পুলিশের কড়া নজরদারী। 

পৌনে ২টা নাগাদ বকশিবাজার কারা অধিদপ্তরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত বিশেষ আদালতে পৌছেন বেগম জিয়া। তিনি ১টা ৫২ মিনিটে এজলাস কক্ষে ঢোকেন। বিশেষ আদালতের বিশেষ জজ বিচারক ড. আখতারুজ্জামান ২টা ১৪ মিনিটে রায় পড়া শুরু করেন। ২টা ২৯ মিনিটে ৬৩২ পৃষ্ঠার রায়ের সারসংক্ষেপ ১৮ মিনিটে পড়ে শেষ করেন বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। 

রায়ে মামলার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমানিত হওয়ায় বেগম খালেদা জিয়াকে সামাজিক মর্যাদা ও শারিরীক অবস্থা বিবেচনায় ৫ বছর কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। অপর আসামী বেগম জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপি'র সিনিয়ন ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইবোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দেন আদালত। পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়া বাদে অন্য ৫ আসামীকে ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। এই জরিমানার টাকা তাদের সম্মিলিতভাবে পরিশোধ করতে হবে। 

এর পর কারাগারে নেওয়া হয় কারাদন্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। ২৩৬ কার্যদিবসে৩২ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, ২৮ কার্যদিবসে আত্মপক্ষ সমর্থন ও ১৬ কার্য দিবস যক্তিতর্ক শুনানি গ্রহণ শেষে এ রায় দেওয়া হলো।  

No comments